Class 3 Bengali Book Question Answer Chapter 5 সুমনার চিঠি (পাঠ-৫)

Class 3 Bengali Book Question Answer নিয়ে খুঁজছেন? এখানে
আপনি Class 3 Bengali Question Answer সুমনার চিঠি Class 3 গাইডের সাহায্যে বাংলা বইয়ের পাঠের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সহজ ভাষায় পেয়ে
যাবেন। বিশেষ করে “সুমনার চিঠি” অধ্যায়ের ব্যাখ্যাসহ উত্তর, নমুনা সমাধান
ও পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার টিপস পাবেন। তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য
সহজবোধ্যভাবে সাজানো এই প্রশ্নোত্তর গাইড পড়াশোনাকে করবে আরও সহজ।

এই ব্লগ পোস্টে আমরা Class 3 Bengali Book-এর গুরুত্বপূর্ণ
অধ্যায় সুমনার চিঠি (পাঠ—৫)  প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেছি, যা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার
প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে।

Class 3 Bengali Book Question Answer Lesson 5 সুমনার চিঠি (পাঠ-৫)

(toc)

সুমনার চিঠি class 3

ক — পাঠভিত্তিক

পাঠটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখো।

(ক) সুমনার কাছে কার চিঠি এসেছিল?
উত্তরঃ সুমনার কাছে তার দিদার চিঠি
এসেছিল।

(খ) চিঠিতে দিদা কি লিখেছিলেন?
উত্তরঃ চিঠিতে দিদা জানতে চেয়েছিলেন সুমনা
কেমন আছে। লেখাপড়া, খেলাধুলো করছে কিনা তাও জানতে চেয়েছিলেন । তিনি শুনেছেন
সুমনা গত সপ্তাহে বন্ধুদের সঙ্গে বনভোজনে গিয়েছিল । বনভোজনে গিয়ে সুমনা কেমন
আনন্দ করছে, কী দেখেছে সে সম্পর্কে লিখে জানাতে বলেছেন । পরিশেষে দিদা সুমনাকে
স্নেহ জানিয়েছেন ।

(গ) সুমনা বনভোজে কোথায় গিয়েছিল?
উত্তরঃ সুমনা বনভোজে একটি ছোট নদীর ধারে
গিয়েছিল।

(ঘ) চিঠি লেখার পর মা সুমনাকে কী বলেছিলেন?
উত্তরঃ চিঠি লেখার পর মা সুমনাকে
চিঠি খামে ভরে আঠা লাগাতে, খামের উপর ডানদিকে দিদার আর বাঁদিকে সুমনার নিজের
ঠিকানা লিখতে এবং খামের উপর ডাকটিকিট লাগাতে বলেছিলেন ।

(ঙ) চিঠি বন্ধ করে খামের উপর কী লিখতে হয়?
উত্তরঃ চিঠি বন্ধ করে খামের উপর
ডানদিকে যাকে চিঠি পাঠানো হচ্ছে তার ঠিকানা এবং বামদিকে যে পাঠাচ্ছে তার ঠিকানা
লিখতে হয়।

জেনে রেখো

দাদু-দিদা, মা-বাবা, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধব বা অন্য আপনজনকে লেখা এই ধরনের চিঠিকে
ব্যক্তিগত চিঠি বলা হয়। এর পাঁচটি অংশ— এর মধ্যে চিঠির পাতায় থাকে চারটি অংশ এবং
চিঠির খামের ওপর থাকে আর একটি অংশ। একটি ছক এঁকে চিঠির পাতার এই অংশগুলো কোথায়
কোনটা লেখা হয় তা দেখিয়ে দেওয়া হল।

স্থান ও তারিখ

সম্বোধন

চিঠির বিষয়

যে লিখেছে তার নাম

চিঠি যাকে লেখা হয় তাঁর নাম ঠিকানা খামের ওপরে ডানদিকে লিখতে হয়। তোমার
নিজের ঠিকানা তুমি খামের কোন পাশে লিখবে?

উত্তরঃ আমার নিজের ঠিকানা আমি খামের বামদিকে লিখবো।

চিঠি কীভাবে পাঠাতে হয় লেখো।
উত্তরঃ নাম ঠিকানা লেখা চিঠির খামের
উপর ডাকটিকিট লাগাতে হয়। তারপর ডাকবাক্সে ফেলতে হয়।

চিঠি লেখার সময় কোথায় কী লিখতে হয়, তা খালি ঘরে লেখো।

(ক) বড়োদের কাছে লিখলে, শুরুতে
উত্তরঃ পূজনীয় বা পুজনিয়া, শ্রদ্ধেয় বা
শ্রদ্ধেয়া।

(খ) ছোটোদের কাছে লিখলে, শুরুতে
উত্তরঃ স্নেহের বা আদরের।

(গ) বন্ধুর কাছে লিখলে, শুরুতে
উত্তরঃ প্রিয় বা প্রিয়া।

(ঘ) চিঠির উপর ডানদিকে
উত্তরঃ যেখান থেকে চিঠি লেখা হচ্ছে সেই জায়গার নাম ও
যেদিন চিঠি লেখা হচ্ছে সে দিনের তারিখ।

(ঙ) চিঠির শেষে
উত্তরঃ নিজের নাম।

খ — ভাষা অধ্যয়ন (ব্যবহারিক ব্যাকরণ)

পাঠে তোমরা পড়েছো যে—

সুমনার কাছে চিঠি পাওয়াই একটি বিস্ময়ের ব্যাপার।

এসো, বিস্ময়ে ‘স্ম’ যুক্তবর্ণটি ভেঙ্গে পড়ি ও লিখি।

বিস্ময় স্ম- স+ম স-এ ম স্ম

অন্যান্য যুক্তবর্ণের সঙ্গে ‘ম’ যোগ- ম্ম, ন্ম, ক্ম, ত্ম, দ্ম, গ্ম, ল্ম, ষ্ম,
শ্ম

প্লাবিতা হল সুমনার দিদার নাম, এখন প্লাবিতার ‘প্ল’ যুক্তবর্ণটি ভেঙ্গে পড়ি ও
লিখি

প্লাবিতা প্ল- প+ল প-এ ল প্ল

অন্যান্য বর্ণের সঙ্গে যোগ- ক্ল গ্ল, ব্ল, ম্ল, ল্ল, শ্ল, হ্ল

এসো, পড়ি।

বিস্ময় স্মরণ স্মরণিকা বিপ্লব প্লাবন প্লাবিতা

ওপরের শব্দগুলো থেকে সঠিক যুক্তবর্ণ বেছে নীচের গোল চিহ্নের ভেতরে বসাও।

—রণ বি—ব; —বন —রণিকা

উত্তরঃ স্মরণ বিপ্লপ্লাবন স্মরণিকা

পাঠটি পড়ে যুক্তবর্ণগুলো খুঁজে বের করো ও লেখো।

উত্তরঃ ক্ক, ন্দ, স্ম, ব্য, প্ত, ন্ধ, ঙ্গ, স্ন, দ্ধ, ষ্ট, চ্ছ, ন্ত, প্ল, প্ত।

জেনে নাও

(শু, শূ, শ্র, শ্রু, শ্রূ)

(ক) শ-এ উ যোগ হলে সেটি ‘শু’ লেখা হয়।

(খ) কিন্তু শ-এ ঊ যোগ হুএ সেটির রূপ পরিবর্তন হয় না, অর্থাৎ কেবল ‘শূ’ হয়।

(গ) শ- এ র-ফলা যোগ হলে সেটির পরিবর্তিত রূপ হবে ‘শ্র’।

(ঘ) শ্র-র সঙ্গে উ-কার যোগ হলে ‘শ্রু’- এইভাবে লেখা হয়ে, যেমন- শ্রুতলিপি।

(ঙ) শ্র-র সঙ্গে ঊ-কার যোগ হলে ‘শ্রূ’- এইভাবে লেখা হয়, যেমন- শুশ্রূষা।

(শুশ্রূষা শ্রূ- শ+র+ঊ শ-এ র-ফলা শ্র সেখানে ঊ-কার যোগ হলে শ্রূ হবে।)

নীচের উপযুক্ত শব্দগুলো রেখা টেনে মেলাও।

উত্তর:

শব্দগুলো রেখা টেনে

পাঠে ‘এক্কাদোক্কা’ শব্দটি পেয়েছ। এইভাবে আরও কিছু যুগ্ম শব্দের তালিকা প্রস্তুত
করো যেমন— নাচ-গান

উত্তর: মা-বাবা, হাত-পা, বাঁশ-বেত, মামা-মামি, দাদু-দিদা, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধব
নরম-গরম, হাসি-কানা, এপার-ওপার, মরণ-বাঁচন, সামনা-সামনি, নাদুস-নুদুস, ওঠ-বস,
ঝাল-টক, লজ্জা-শরম, টুপ-টাপ, লেখা-পড়া, ওঠা-পড়া ইত্যাদি।

এসো, শিখে নিই

সুমনা, দিদা, চিঠি, লেখ— এইগুলো হল একটি একটি শব্দ। এখন এই শব্দগুলোকে পর পর
সাজিয়ে লেখা যায়— সুমনা দিদা চিঠি লিখ। এই শব্দগুলো কিন্তু সম্পূর্ণ কোনো অর্থ
প্রকাশ করেনি।

এখন যদি এই শব্দগুলো এভাবে লিখি— ‘সুমনা দিদাকে চিঠি লিখেছে’ তবে একটি সম্পূর্ণ
অর্থ পাওয়া যাবে। এইভাবে কিছু শব্দ মিলে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করলে একটি
বাক্য
গঠিত হয়।

বাক্যে যখন বিভিন্ন শব্দ ব্যবহৃত হয় তখন সেই শব্দগুলোর কিছু রূপ পরিবর্তনও ঘটতে
পারে। বাক্যে ব্যবহৃত সেই বিশেষ পরিবর্তিত রূপের শব্দগুলোকে বলা হয় পদ

শব্দ ও পদের পার্থক্য দেখো।

শব্দ পদ
সুমনা
দিদা
চিঠি
লেখা
পড়া
সুমনার, সুমনাকে
দিদাকে, দিদার
চিঠিতে, চিঠির
লিখি, লিখেছে,
লিখবে,লিখবেন
পড়ি, পড়েছে, পড়বে, পড়ছেন

ওপরের শব্দগুলো ব্যাবহার করে তিনটি বাক্য লেখো।

যেমন — সুমনা দিদাকে চিঠি লিখেছে।

উত্তরঃ (ক) দিদা সুমনাকে চিঠি লিখেছে।
(খ) সুমনা দিদার চিঠি পড়েছে।
(গ)
দিদা সুমনাকে চিঠি লিখবেন।
(ঘ) সুমনা দিদাকে চিঠি লিখবে।
(ঙ) সুমনা
দিদার চিঠি পড়বে।

“এতদিন কেবল মা-বাবার কাছেই চিঠি আসত। এখন তারও চিঠি এসেছে। কী মজা! আজই সে
প্রথম চিঠি পেল। সুমনার কাছে চিঠি পাওয়াই হল একটি বিস্ময়ের ব্যাপার।”

এই কথাগুলোতে সুমনার মনের ভাব প্রকাশ পেয়েছে। মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য
কয়েকটা শব্দ আমরা সাজিয়ে বলি বা লিখি, ভাব প্রকাশ করার এই মাধ্যমকে
ভাষা বলা হয়। বাড়িতে কথা বলার সময় আমরা এক ধরনের ভাষা ব্যবহার করি।
এটাকে বলা হয় কথ্য (ঘরোয়া) ভাষা। লেখার সময় বা কোনো বিশেষ স্থানে কথা
বলার সময় যে ভাষা ব্যবহার করি সেটাকে আমরা মান্য ভাষা বলি।

মান্য ভাষা সব জায়গায় একই, কিন্তু ঘরোয়া ভাষা স্থান বিশেষে আলাদা আলাদা।


এখন বলো বাড়িতে তোমার দাদু বা ঠাকুমা তোমার সঙ্গে কীভাবে কথা বলেন? সেই ভাষাটি
মান্য না কথ্য ভাষা?

উত্তর: বাড়িতে দাদু বা ঠাকুমা কথ্য (ঘরোয়া) ভাষায় কথা বলেন। সেই ভাষাটি কত্য
ভাষা।

নীচের শব্দগুলো দিয়ে তোমার খাতায় বাক্য রচনা করো।

পোস্টকার্ড, বনভোজন, পূজনীয়, ধান, ডাকটিকিট

উত্তর: পোস্টকার্ড— আমাদের বাড়িতে খাম ছাড়াই অনেকগুলো পোস্টকার্ড আছে।

বনভোজন— আমি গত বৎসর দাদার সঙ্গে বনভোজনে গিয়েছিলাম।

পূজনীয়— পূজনীয় দাদু গত সোমবারে আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন।

ধান— ধান থেকে চাল হয়।

ডাকটিকিট— চিঠি পাঠানোর আগে চিঠিতে ডাকটিকিট লাগাতে হয়।

গ— জ্ঞান-সম্প্রসারণ

পড়া-শোনা ও খেলা-ধুলা তোমার নিজের কাজ। এ-দুটি কাজ করার তুমি বাড়িতে কী কী
কাজে মাকে সাহায্য কর, তার একটি তালিকা তৈরি করো ।

যেমন— ঘর ঝাড়ু দেওয়া ।

উত্তর: ফুল বাগানে জল দেওয়া।
সবজি বাগানে জল দেওয়া।
ঘরের কাপড়চোপড়
ঘোচানো।
দোকান থেকে জিনিসপত্র আনা।

ভেবে লেখো।

তুমি মায়ের কাছ থেকে কী চাও?

উত্তরঃআমি মারের কাছে স্নেহ ভালোবাসা চাই।
আমি মারের কাছে খাবার চাই।
আমি
মায়ের কাছে পরিষ্কার জামা কাপড় চাই।
আমি মায়ের কাছে গল্প শুনতে চাই।

ঘরোয়া কাজে মা-বাবাকে সাহায্য করার জন্য তুমি কি পয়সা নেবে?
উত্তরঃ
না পয়াসা নেব না।

টাকা উপার্জনের জন্য তোমার বাড়ির বড়োরা কী করেন?
উত্তরঃ টাকা
উপার্জনের জন্য আমার বাড়ির বড়োরা চাকরি করেন এবং মাঠে চাষ করেন।

মা তোমার জন্য কী কী করেন?

যেমন- রান্না করেন
অসুখ হলে শুশ্রূষা করেন।

উত্তরঃ পোষাক পরিষ্কার করেন।
রাত্রে গল্প বলেন ।
লেখাপড়ায় সাহায্য
করেন।
হাত – পায়ের নখ কেটে দেন।

মা তোমার কাছে কী চান বলো তো? শুধুই শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা। মনে রাখবে,
স্নেহ-ভালোবাসা মাপা যায় না; সেগুলো টাকা দিয়েও কেনা যায় না।

নীচের বাক্যটি তিনবার লেখো

আমি মাতা-পিতার সেবা করব।

আমি মাতা-পিতার সেবা করব।

আমি মাতা-পিতার সেবা করব।

আমি মাতা-পিতার সেবা করব।

কাকে কী বলবে , লেখো।

(ক) মায়ের ভাই
উত্তরঃ মায়ের ভাই—মামা ।

( খ ) বাবার ছোটো ভাই
উত্তরঃ বাবার ছোটো ভাই—কাকা।

( গ) মায়ের বাবা
উত্তরঃ মায়ের বাবা — দাদু।

(ঘ) মায়ের মা
উত্তরঃ মায়ের মা— দিদা।

(ঙ) মায়ের বোন
উত্তরঃ মায়ের বোন —মাসি।

( চ) বাবার বোন
উত্তরঃ বাবার বোন — পিসি।

তুমি বাড়িতে বা বিদ্যালয়ে কী কী কাজ করতে ভালোবাসো বলো এবং সেগুলোর একটি তালিকা
প্রস্তুত করো।

উত্তরঃ 
বিদ্যালয়ে বাড়িতে
(ক) ব্ল্যাকবোর্ড পরিষ্কার করতে।
(খ) জলের ড্রাম ও কলসীতে জলে ভরতে।
(গ) বাগানের গাছে জল দিতে।
(ঘ) বাগানের বেড়া ঠিক করতে।
(ঙ) বাগানের আগাছা তুলে ফেলতে।
(ক) ঘর পরিষ্কার করতে।
(খ) রান্নার জল তুলতে।
(গ) বাগানের গাছে জল দিতে।
(ঘ) পুজোর ফুল ও পাতা তুলতে।
(ঙ) জুতো পরিষ্কার করতে।

তুমি গরমের ছুটি কীভাবে কাটলে তা জানিয়ে তোমার কোনো বন্ধুকে একটি চিঠি লেখো।

শিলচর
৭ ই জুন ২০১১
প্রিয় আয়ুশ,

আশা করি ভালো আছো। তোমার মিষ্টি চিঠিটা পেলাম। গরমের ছুটি কীভাবে কাটালাম জানতে
চেয়েছো। জানালাম—

এবার গরমের ছুটিতে বাবা আমদের পুরী বেড়াতে নিয়ে গেছিলেন। পুরীতে আমার পাঁচদিন
ছিলাম । সমুদ্র দেখলাম । সমুদ্রে স্নান করলাম। পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দির, মাসির
বাড়ি, পিসির বাড়ি দেকলাম। একদিন বাসে করে কোনারক দেখতে গেছিলাম। সমুদ্র আমার
খুব ভালো লেগেছে । আর ভালো লেগেছে ট্রেনের জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য । আনন্দ খুব
তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল। শুরু করলাম পরীক্ষার পড়াশুনা। 

তুমি আমার ভালোবাসা নিও। কাকু, কাকিমাকে প্রণাম জানিও। চিঠি দিও।

ইতি                                      

তোমার                                    
আর্য                                       
  আয়ুশ সেন                                    
প্রযত্নে — মহীতোষ সেন                  
৭৬ বিবেকানন্দ সরণী                      
কোলকাতা —১২                          

ভেবে বলো।

(ক) তোমার বাড়ির করো অসুখ হলে কী করবে?
উত্তরঃ আমার বাড়িতে কারো অসুখ হলে প্রথমেই বড়দের খবর দেবো। বাড়িতে বড় কেউ না
থাকলে পাশের বাড়ির বড়দের ডেকে আনবো। রোগীকে জল ইত্যাদি দিয়ে সেবা শুশ্রূষা
করবো। ঘরের দরজা জানালা খুলে দেবো। বিছানায় শুইয়ে দেবো।

(খ) বাড়িতে মা নেই, তখন কোনো অতিথি এলে কী করবে?
উত্তরঃ বাড়িতে মা নেই, তখন কোনো অতিথি এলে তাকে সসম্মানে বসার ঘরে বসাবো।
খাওয়ার জল দেবো। তারপর মাকে ডেকে আনবো । মা দূরে কোথাও গেলে পাশের বাড়ির কাকিমা
বা কাকা বা পিসিকে ডেকে আনবো।

ঘ—প্রকল্প

তোমার বাড়িতে যে সব চিঠি-পত্র আছে বা আসে সে সব চিঠি জোগাড় করে একটি অ্যালবাম প্রস্তুত করো।

  • চিঠির বিষয় — বিয়ের চিঠি, উৎসব পার্বণের চিঠি (পূজা-পার্বণ, বিহু, জন্মদিন, অন্নপ্রাশন)।
  • বন্ধু-বান্ধবের চিঠি, মা-বাবার চিঠি, আত্মীয় কুটুমের চিঠি, নিজের লেখা চিঠি।

উত্তর: নিজেরা প্রস্তুত করো।