ছোটদের ছড়া: ৫০+ বাচ্চাদের ছড়া, বাচ্চাদের হাসির বাংলা ছড়া

.choracont{background: white; border-radius: 10px; border: 1px solid rgb(5, 102, 150); text-align: center;}

.choraslno{background: rgb(5, 102, 150); border-radius: 0px 9px; border: 1px solid rgb(5, 102, 150); color: white; display: right; font-weight: bold; text-align: center; width: 20%;}

ছোটদের ছড়া (Chora) হলো শিশুদের জন্য একটি আনন্দদায়ক মাধ্যম, যা তাদের
ভাষা দক্ষতা, কল্পনাশক্তি ও সৃজনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
বাচ্চাদের হাসির ছড়া (Bacchader Chora) এবং মজার ছোট গল্পগুলি
শিশুদের মনোরঞ্জনের পাশাপাশি তাদের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ শেখায়। শিশুদের মজার
ছড়াগুলি ছন্দ ও তালে ভরা, যা শিশুদের সহজেই আকর্ষণ করে এবং তাদের মনে দীর্ঘস্থায়ী
প্রভাব ফেলে।  

এই বাংলা ছড়া ও গল্পগুলি শুধু মজারই নয়, বরং শিক্ষামূলকও বটে। শিশুদের মানসিক
বিকাশ, ভাষা শেখা এবং বাংলা সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে এই ছড়াগুলি
অপরিহার্য। আপনি যদি শিশুদের জন্য মজার ছড়া, বাংলা ছড়া, বা হাসির ছোট গল্প খুঁজে
থাকেন, তাহলে আমাদের এই পোস্টটি আপনার জন্য পারফেক্ট। এখানে পাবেন বাচ্চাদের
হাসির ছড়া, মজার ছোট গল্প এবং শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক বাংলা ছড়া। 

ছোটদের ছড়া, বাচ্চাদের ছড়া, বাচ্চাদের বাংলা ছড়া, বাচ্চাদের হাসির ছড়া, হাসির ছড়া কবিতা,  ছোট বাচ্চাদের ছড়া

(toc)

ছোটদের ছড়া কবিতা

কমল গেছে কলকলিতে

কমল গেছে কলকলিতে
কমলা কলা কুল আনতে,
ক’টাকায় সে ক’ফল কেনে,
কয় সে-কথা কানে কানে৷

#61

বড় বড় বকগুলো

বড় বড় বকগুলো বনে বনে বসে
বকেদের বাড়ি বুঝি বিলের বালুচরে।
বালুতে বালুতে বকুল বিকেলবেলায়,
বাতাসে বাতাসে বকুল বাস বিলায়।

#60

মেঘের ওপর মেঘ করেছ

মেঘের ওপর মেঘ করেছে,
রঙের অপর রঙ।
মন্দিরেতে কাসর ঘন্টা বাজল ঢং ঢং ।

#59

টকর গেরামের টুকন-দা খেয়েছিল দই

টকর গেরামের টুকন-দা খেয়েছিল দই
দই খেয়ে হল কী, বলি সই—
জিভ হল এমন টক,
চাকে বলে টা,
চিনিকে বলে টিনি,
ভাতকে বলে টাত
আর দইকে তো বলে টই ।

#58

বারো মাসে ছয় ঋতু,
বছর হয় শেষ।
সপ্তাহে সাতদিন
লিখে দেখো বেশ।

#57

হরিণ গেছে তৃণ আনতে

হরিণ গেছে তৃণ আনতে
হরিণাদিকের বনে,
ঘোড়া ভায়া চেয়ে আনল
দুটাকা ঋণে।
মৌমাছি বলে,- “গেছিলাম সই
মধুটি আহরণে,
হাতি আর ইঁদুর দেখি
লড়ছে তুমুল রণে।
রণ শেষে পরিণাম কী যে ভয়ঙ্কর,
আলিঙ্গন করে জুড়ল দুজনে গানের আসর।”

#56

ঝর ঝর, ঝম ঝম

ঝর ঝর, ঝম ঝম
আষাঢ়ের বৃষ্টি পড়ে,
বেড়াল ছানা পিছু পিছু
‘মিঞাও’ ‘মিঞাও’ করে।
লাল-নীল ছাতা নিয়ে
বৃষ্টিতে খেলে,
ঝাউবন কী দারুণ
বাতাসে দোলে!

#55

চাঁদের দেশে চলো

সোনামণি খুকুমণি
কোথায় যাবে বলো?
ওই যে দেখ চাঁদমামা
চাঁদের দেশে চলো।

রেল চলে না বাস চলে না
কেমন করে যাব!
রকেটেতে চড়ে আমরা
চাঁদের দেশ পাবো।

পৃথিবীটাকে দেখব মোরা
রকেটেতে চড়ে
খাল-বিল-নদী-নালা
মিশে যাবে দূরে।

আলোয় ভরা তারাগুলি।
আসবে কাছাকাছি,
চাঁদের গায়ে ঘুরে ঘুরে
খেলবো কানামাছি।

#54

ছড়া

এই যে লোকটি।
ভাত না-থাক, জল না-থাক
চাই শুধু আগুনটি।।
বয়ে আনেন কাঠ।
শীত নামলে আগুন পোহান
মেলে দুটি হাত।।

#53

খাতার পাতায় রঙ মেশায়

খাতার পাতায় রঙ মেশায়
গাঢ় নীল হলদে,
আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামে
আষাঢ়ের সন্ধে।

#52

সকালের মিঠে রোদে

সকালের মিঠে রোদে
ঠাকুমা বসেন বারান্দায়,
ঠেলা নিয়ে নকুল-দাদা
কাঁঠাল আনতে যায়।

#51

রোদ এল, বৃষ্টি এল,
খেঁকশেয়ালের বিয়ে।
চড়ুই পাখি সুপারি কাটে
সোনার সর্তা দিয়ে।

#50

নৌকাভরা নৌরি নিয়

নৌকাভরা নৌরি নিয়ে
গৌরমাঝি যায়,
পৌরসভার চৌকিদার
কৌতুকে তাকায়।

#49

বৃষ্টি

টুপটাপ টুপটাপ

টুপটাপ টুপটাপ
বৃষ্টি যে ঝরে,
আকাশের জল সব
পৃথিবীতে পড়ে।
নদী নালা খাল বিল
ভরে ভরে যায়,
ছোট্ট ছোট্ট ব্যাঙগুলো
মাথা তুলে চায়।

#48

ঘুম থেকে উঠেই ঠিক

ঘুম থেকে উঠেই ঠিক
মাজি আমি দাঁত।
মুখ ধুয়ে দুধ খাই;
হাতে নিই পাঠ।
জল ঢেলে চান করি
সাবান গায়ে দিয়ে।
হাত ধুয়ে খাই ভাত
ভালো করে চিবিয়ে।

#47

শৈবালহাটে কৈলাশের ঘর
মৈনাকের শৈলশহর,
তৈল আনে নৈশ আহারে
অনেক টাকা দর

#46

রস

বৃষ্টি

লঙ্কার স্বাদ ‘ঝাল’
‘তেতো’ নিমপাতা,
চিনি মধু আঁখ
এইসব মিঠা।
জলপাই ‘টক’ আর
‘কষা’ আমলকী,
বলতে পার নুনের স্বাদ,
চেখে দেখেছ কি?

#45

শ শ শিউলি ফুল

শ শ শিউলি ফুল,
শরতের রাতে।
বাঁশবন আকাশ ছোঁয়,
হাত বাড়ায় চাঁদে।

#44

খোকন খোকন করে মায়

খোকন খোকন করে মায়,
খোকন গেছে কাদের নায়?
সাতটি কাকে দাঁড় বায়,
খোকন রে তুই ঘরে আয়।

#43

কুকুর করে ঘেউ ঘেউ

কুকুর করে ঘেউ ঘেউ,
ভোমরা করে গুন গুন
বিড়াল করে মিউ মিউ,
পায়রা করে বকুম বকুম।

#42

চাঁদমামা

চাঁদমামা

চাঁদমামা চাঁদমামা
একটি তারা দাও
একটি না একটি না
দুটি তারা দাও।
হাত নেই পা নেই
কেমন করে দেব
সোনামণির কপালেতে
টিপ পরিয়ে যাব।
শালিক চড়াই দলে দলে
পাকা ধান খায়।
গৌরমাঝি নৌকা বেয়ে
বৌ আনতে যায়।

#41

ওলকপি আর ওল

ওলকপি আর ওল
খেয়ে লাগে ভালো।
ওবাজারে ওসব পাই
ওদিকে চলো।

#40

গোরু নিয়ে গগন দাদা

গোরু নিয়ে গগন দাদা
গোচারণে যান,
গরম দিনে গোরুর মাঠে
গলা ছেড়ে গান।

#39

চুপ চাপ চিমটি কাটে

চুপ চাপ চিমটি কাটে
চার-চারটে পিঁপড়ে,
চার চামচ চিনি চাই;
চায়ের সাথে চিড়ে।

#38

খোকা ঘুমাল, পাড়া জুড়াল
বর্গি এল দেশে।
বুলবুলিতে ধান খেয়েছে
খাজনা দেব কিসে?
ধান ফুরুল, পান ফুরুল-
খাজনার উপায় কী?
আর ক’টা দিন সবুর করো,
রসুন বুনেছি।

#37

বাচ্চাদের হাসির ছড়া

উদ বিড়ালটি উড়তে চায়

উদ বিড়ালটি উড়তে চায়,
উপায় একটি করতে চায়।
মন একদিন উদাস ছিল,
উপুড় হয়ে ভাবছিল।
উঠোন তখন ফাঁকা ছিল,
উড়োজাহাজ উড়ছিল।
হটাৎ উঠে পালটি মেরে,
চিৎকার করে, ‘ওরে বাপরে!’
উলটে দেখে সে-ই উপর,
আর সবের মাথায় গোবর।

#36

ইচন বিচন

ইচন বিচন
আন রে দোলা,
ইকড় খাগড়
বাঁশের শলা।
ইলশে মাছের
ঝোলটি তোলা,
ইচড় খেয়ে
পাপড় ভোলা।

#35

ফুল ফুল ফুলটি

ফুল ফুল ফুলটি
আয় আমার দুলটি।
যার হাতে ‘প’ আছে,
এগিয়ে আয় বকুলটি।

#34

বিড়াল নাচে ধিনতা ধিন

বিড়াল নাচে ধিনতা ধিন
ইঁদুর বাজায় ঢোল,
বিড়ালের মা রেঁধে রেখেছে
পাবদা মাছের ঝোল।

#33

থরহরি দিন রাত

থরহরি দিন রাত
থরথর কাঁপছে।
থরগিরি ভুতনাথ,
থলবন নাচছে।

#32

ধিনতা ধিনা ধিন, নরেন বাজায় টিন।

ধিনতা ধিনা ধিন,
নরেন বাজায় টিন।
বায়েন হয় কানাইও,
নয়টি রাত দশদিন।

#31

ছড়া- লাউ রেখে গাই বাঁধি,

লাউ রেখে গাই বাঁধি,
গাই বেঁধে লাউ রাখি।
রাখা পাই, কচি লাউ,
বাঁধা গাই, নিয়ে যাও,
বাঁধা গাই, কচি লাউ,
রাখা পাই, নিয়ে যাও।

#30

রং রং নানা র

রং রং নানা রং
কোথায় পাই বলো,
রামধনুতে সাতটি রং
গুনে দেখি চলো।

ছোটদের ছড়া

বেগুনি, নীল, আকাশি সবুজ
হলুদ, কমলা ও লাল,
আকাশে যেন নৌকো এক;
তোলে সাত রঙের পাল।

#29

মনু যাবে মাছ ধরতে

পুকুরে জল মাঠে জল
আকাশে মেঘের ছাদ।
মনু বেরোয় বড়শি হাতে
মাছ খাবার সাধ।।
বড়শি সুতোয় ফাৎনা গেঁথে
যেই ছাড়ল জলে।।
ক্ষণটি বুঝে ফড়িং বসে
গোল পাকাল তালে।।
মাছের ঠোকরে ফড়িং নাচে
উহ, কী যে করে!
যেই-না দিল জোরে টান,
ব্যাঙ উঠল পাড়ে।।

#28

ও হরি মশাগো চলো যাই, মশা খেদাই মশা কয়,
মল্লাম গো, ডেফলের ধোঁয়া দিব গো।
ডেফলে নাই লবণ, চাউল তুলে মন মিন।
বাঁশের পাতা চিকিমিকি,
আমার লাগে আধলিসিকি ৷
জয় রাম বলো, জয় হরি বলো
গৃহস্থের কল্যাণ কামনীয় ৷

#27

পেখম তুলে ময়ূর নাচে
পাঁখির সভার মাঝে
ই না দেখে তোতাময়না
আনন্দেতে নাচে।
বকমশাই বেজায় খুশি,
দিচ্ছে কাক লাফ,
চিলটি দেখো উড়ছে বেদম
‘ লাগছেনা তার তাপ।

#26

এই বাগানের নানা ফুল মোরা
মিলেমিশে করি খেলা
মন শুধু বলে কেন বাড়ি ফেরা
ছেড়ে এই পাঠশালা?

নাচ-গানকরে রূপকথা শুনে
কত যে লাগে মজা,
হাসি-তামাশায় শিখি লেখাপড়া
নেই কোনো বইয়ের বোঝা ।

#25

টক মিঠে কষা
কত যে ফল,
ফল খেলে দেহে পাই
হাতির মতো বল। 

পাকা পাকা ফল যত
ঝুলে আছে গাছে,
ফল খেয়ে পাখিরাও
উড়ে আকাশে।

#24

পিঁপড়ে-দাদু পিঁপড়ে-দাদু
কোথায় তুমি যাও,
চিনির ডিবি খুলে দিলাম
খাও যদি খাও।

#23

বাচ্চাদের হাসির ছড়া

খোকা যাবে শ্বশুরবাড়ি,
সঙ্গে যাবে কে?
ঘরে আছে হুলো বেড়াল
কোমর বেঁধেছে।

#22

  ধানের খেতে
আজ ধানের খেতে রৌদ্রছায়ায়
 লুকোচুরির খেলা রে ভাই,
লুকোচুরির
খেলা
 নীল আকাশে কে ভাসালে
 সাদা মেঘের ভেলা রে-ভাই,
 লুকোচুরির
খেলা।

#21

 রামগরুড়ের ছানা
রামগরুড়ের ছানা হাসতে তাদের মানা,
হাসির কথা শুনলে বলে,
‘হাসব
না-না-, না-না’।
‘সদাই মরে ত্রাসে-__ এঁ বুঝি কেউ হাসে!
এক চোখে তাই
মিটমিটিয়ে
তাকায় আশে পাশে।

#20

ছোটো পাখি
ছোটো পাখি আমি
বাবুই আমার নাম।
সারাদিন উড়ে বেড়াই
এগ্রাম-ওগ্রাম।
উঁচু
উঁচু গাছ খুঁজি
সারাদিন ধরে।
তাল সুপারি খেজুর পেলে
আনন্দে মন
ভরে।।
সেই গাছেতেই বানাই বাসা
হাসি খুশি মনে।
কারিগর পাখি
আমি
সবাই তো তাই জানে।।

#19

ফড়িংবাবুর বিয়ে!
ফড়িংবাবুর বিয়ে!
টিকটিকিতে ঢোলক বাজায়,
ধুচনি মাথায় দিয়ে!
বেয়ারা
হল তেলাপোকা
পালকি কাঁধে নিয়ে!
দেখতে এল সেজেগুজে,
পিঁপড়েরা
মায়ে-ঝিয়ে!
আরে,ফড়িংবাবুর বিয়ে!
ফড়িংবাবুর বিয়ে!

#18

 ওপেনটি বাইস্কোপ
ওপেনটি বাইস্কোপ
নাইনটেন টেস্কোপ
সুলতানা বিবিয়ানা
সাহেব
বাবুর বৈঠকখানা
কাল বলছেন যেতে
পান সুপারি খেতে
পানের-রাজা মৌরি
বাটা
ইস্প্রিংএর ছবি আঁটা।

#17

ছড়া

ইকড়ি মিকড়ি
ইকড়ি মিকড়ি চামচিকড়ি
চামের আগায় মজুন্দার
মজুন্দারের
হীড়িকুড়ি
দুয়ারে বসে চাল কাড়ি।
চাল কীড়তে হল বেলা
ভাত খাও
সে দুপরবেলা ॥
ভাতে পড়ল মাছি
কোদাল দিয়ে টাছি।
কোদাল হল
ভৌতা
খ্যাকশেয়ালের মাথা।

#16

ছোটদের বাংলা ছড়া

 খোকার নাচন
আয় রে আয় টিয়ে
নায়ে ভরা দিয়ে!
না নিয়ে গেল বোয়াল মাছে,
তা
দেখে ভোঁদড় নাচে!
ওরে ভোঁদড় ফিরে চা,
খোকার নাচন দেখে যা!

#15

মাসি গো মাসি

মাসি গো মাসি পাচ্ছে হাসি
নিম গাছেতে হচ্ছে শিম্
হাতির মাথায়
ব্যাঙের ছাতা
কাকের বাসায় বগের ডিম।

#14

শুনেছ কি বলে গেল সীতানাথ বন্দ্যো? ?
আকাশের গায়ে নাকি টকটক গন্ধ?
টকটক
থাকে নাকো হলে পরে বৃষ্টি-
তখন দেখেছি চেটে একেবারে মিষ্টি।

#13

 আল্লা মেঘ দে
আল্লা মেঘ দে পানি দে,
ছায়া দে রসুল।
ছায়া দে রসুল রে
আল্লা
মেঘ নামাইয়া দে।
ঝুম-ঝুমাইয়া মেঘের পানি
খেত ভাসাইয়া
দে।

#12

বান আইল
বান আইল বরিষা আইল
ভেসে আইল বট-পাতা
জোড়া পাতা খুলে দেখি
তাতে
টুসুর নাম লেখা৷

#11


হাত মুখ ধুয়ে নিও
বাড়ি ফিরে এসে
খাওয়া দাওয়া সেরে
নিয়ে
খেলো মিলে মিশে।

#10


পড়াশোনা হলে সারা
স্নান সেরে নাও
জলখাবার হলে সারা
পাঠশালায়
যাও।

#09

ভোরবেলা পাখি বলে
‘খুকু,  আর নেই রাত। ‘
চটপট উঠে পড়ো
মেজে
নাও দাঁত। 

#08


এক দুই তিন গুনে
মাছগুলো নিল চিলে
চার পাঁচ  ছয়
করবে
নাকো ভয়।

#07


গোল গোল গোল
মা-র চুড়ি গোল
গাড়ির চাকা গোল
বলতো
সোনামণি
আর গোল কী?

#06


দুটি হাঁস একটি বিলে
চুপি চুপি কথা বলে,
আরেকটি উড়ে এলো
বলতো
সোনামণি
দুই আর একে তিন হল।

#05


দেখো দেখো তিনটি হাঁস
তারা করে জলে বাস,
আরও দুটি  উড়ে
আসে
সাঁতার কাটে মিলেমিশে,
দুই আর তিন মিলে পাঁচ হলো
সংখ্যা
দুটি যোগ হল।

#04


থালায় ছিল তিনটি ডিম
খোকন খেল একটি,
থালায় এখন থেকে গেল
খাওয়ার
বাকি দুটি।
তিন থেকে এক চলে গেলো
হাতে দুই থাকে
এবারে বেশ বুঝতে
পারি
বিয়োগ কাকে বলে৷

#03


এক যে ছিলেন রাজা
তাঁর  কথা শুনলে পাবে মজা
দুই দিন দুই
রাত
রাজামশাই বিছানাতেই কাত।
তিন দিন পর এলেন কবিরাজ
এসেই দেখেন
কাহিল মহারাজ
চার দাগ ওষুধ দিলেন
রাজা রোজ তা-ই খেলেন।
পাঁচ-ছয়
দিন এভাবেই গেল
সাত দিনেও তিনি হলেন না ভালো।
আট দিন গেলো, গেল আট
রাত
এবারে রানি দিলেন গরম ভাত।
নয় দিনে রাজা গায়ে বল পান
দশ
দিনে তিনি গেয়ে ওঠেন গান।

#02


২১ আসে ২০- এর সঙ্গে
এক যোগ করে,
২২ মানে দুই দশ দুই
বোঝ
ভালো করে।
২৩ হয় দুই দশ তিনে
মনে রাখবে তুমি
দুই দশ চারে হয়
২৪
তা সকলেই জানি।

২৫ মানে দুই দশ পাঁচ
মনে রাখবে তাই
দুই দশ ছয়ে ২৬ হয়
সকলকে
তা জানাই।
২৭ হয় দুই দশ সাতে
বল সবাই মিলে
দুই দশ আটে ২৮
হয়
যেও না তোমরা ভুলে।
২৯ হয় দুই দশ নয়ে

মনে থাকে যেন
তিন দশে ৩০ হয়
সংখ্যা এভাবে গুণে৷

#01

কবিতা (Kobita) খ্যাতিমান কবিদের কবিতা